এর আগে সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আভা ও তায়েফ শহরে হুথিদের হামলায় অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন এবং সাতটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার পর সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ‘সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এসব হামলার বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল ও কঠোর পদক্ষেপ নেবে যৌথ বাহিনী।’
হুথি সূত্রগুলো জানায়, সৌদি জোটের যুদ্ধবিমানগুলো লাহজ, তায়েজ, আল-জাউফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে অন্তত ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তায়েজ প্রদেশের ধুবাব ও মাকবানাহ এলাকায় হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে এসব বিমান হামলার দাবির বিষয়ে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এর আগে সোমবার খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছিল হুথিরা।
সম্প্রতি ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে লোহিত সাগর উপকূল ও কৌশলগত বাব-এল-মান্দেব প্রণালির দিকে হুথিদের সামরিক অগ্রগতি বাড়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। হুথিরা ইতিমধ্যে লোহিত সাগরের কৌশলগত হানিশ ও মায়্যুন দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে জানা গেছে। গত জুলাইয়ে সৌদি আরবের ওপর হুথিরা সমুদ্র অবরোধ ঘোষণার পর থেকেই অঞ্চলটিতে সামরিক সংঘাত তীব্র হচ্ছে।





