জোট জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইতের দিকে এবং ড্রোন দুটি রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া হয়েছিল। দেশটির দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে জোট। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
হামলার আশঙ্কায় রাতেই খামিস মুশাইত ও আবহা শহরের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছিল সৌদি সিভিল ডিফেন্স। তবে রিয়াদের জন্য কোনো সতর্কবার্তা দেয়া হয়নি।
ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল এলাকা ও উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে। গত জুলাইয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ ঘোষণার পর থেকে দেশটিতে হামলা চালিয়ে আসছে গোষ্ঠীটি। লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
হুথিদের এসব হামলার লক্ষ্য হচ্ছে সৌদি শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌ চলাচল। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে এমনিতেই বিশ্বে তেল সরবরাহ চাপে রয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বড় পরিসরে বন্ধ থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলোর রপ্তানির প্রধান বিকল্প পথ লোহিত সাগর। হুথিদের হামলায় সেই পথও এখন ঝুঁকির মুখে।
এ হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে রিয়াদে এক বৈঠকে সৌদি আরবের সামনে থাকা নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করেন সৌদি আরব এবং দেশটির প্রতিরক্ষা মিত্র পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক প্রধানেরা। গত মাসে তিন দেশ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা ও সামরিক সহযোগিতা জোরদার করাই এ চুক্তির লক্ষ্য বলে জানিয়েছে দেশগুলো।
সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান শনিবার ভোরে জানান, রিয়াদে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকে চুক্তি অনুযায়ী সৌদি আরবের ওপর হামলা মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন তারা।





