পুতিন বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত, কিন্তু আমরা ইউরোপের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ চাই না। তবে কেউ যদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে চায়, তাহলে নিক।’ তিনি যোগ করেন, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধ বাধলে কেউ জিতবে না এবং ইউরোপীয় দেশগুলোকে তা ভুলে না যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পুতিন বলেন, তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পদক্ষেপকে সমর্থন করেন। এ সপ্তাহে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরের সঙ্গে তার টেলিফোন আলাপ হয়। এ আলাপের আমন্ত্রণ এসেছিল ইউরোপীয় নেতাদের পক্ষ থেকেই বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং একে সঠিক দিকের পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমারা রাশিয়ার কৌশলগত পরাজয় নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য নিয়েছিল, তা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। গত ডিসেম্বরেও পুতিন অনুরূপ মন্তব্য করে বলেছিলেন, রাশিয়া ইউরোপের সঙ্গে লড়াইয়ের পরিকল্পনা করছে না। তবে ইউরোপ যদি হঠাৎ যুদ্ধ শুরু করে, তাহলে রাশিয়া এখনই প্রস্তুত।
এদিকে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং সতর্ক করেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ব্রিটেনের শত্রুরা হামলা চালানোর অবস্থানে যেতে পারে। তিনি বলেন, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ঠেকাতে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যাতে প্রতিপক্ষ হামলার আগে দ্বিবার ভাবে।
সম্প্রতি রাশিয়া প্রতিবেশী দেশগুলোতে ড্রোন বিস্ফোরণসহ নানা ধরনের হাইব্রিড হামলার মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশ ও ন্যাটোকে পরীক্ষা করে দেখছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেন শান্তি আলোচনার পরবর্তী পর্যায়ে ন্যাটো সম্প্রসারণ নিয়ে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করতে পারে রাশিয়া বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে।





