ইউরোপের রাজপথে বিক্ষোভ; সংঘাত-উত্তেজনা বাড়ছে

ফ্রান্সের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ফ্রান্সের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ | ছবি: সংগৃহীত
0

ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ এবার আছড়ে পড়লো ইতালিতে। দুর্বল শিক্ষানীতি আর বিনিয়োগ ঘাটতির জেরে গতকাল (শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর) রোমসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে পুলিশের সঙ্গে। এদিকে ফ্রান্সে হাইস্কুল পড়ুয়াদের বিক্ষোভে সামিল শ্রমিক সংগঠনগুলো। শনিবার দেশজুড়ে শতাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণার পর সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ফরাসি পুলিশ। প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ’র অভিযোগ, নির্বাচনে ফায়দা নিতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে কট্টর বামপন্থীরা। আর, আলবেনিয়ার সরকারবিরোধী আন্দোলনের পেছেন বিদেশি ষড়যন্ত্রকে দায়ী করছেন প্রধানমন্ত্রী এডি রামা।

ফ্রান্স

শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ফ্রান্সে যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, এই মুহূর্তে তা রূপ নিয়েছে গণআন্দোলনে। প্রায় এক হাজার ৮০০-এর বেশি হাইস্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুরু হওয়া অবরোধ ও বিক্ষোভ উজ্জীবিত করেছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে।

এবার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর সামাজিক বৈষম্যের প্রতিবাদে তাই রাজপথে ইয়েলো ভেস্ট গোষ্ঠী। সঙ্গে থাকবে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো। কর্মসূচি পালিত হবে গোটা ফ্রান্স জুড়েই। তবে ফ্রান্স সরকারের অভিযোগ, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিক্ষোভকারীদের ব্যবহার করছে উগ্র বামপন্থি বিরোধীদলগুলো।

আরও পড়ুন:

ইতালি

এদিকে শিক্ষায় বৃহত্তর বিনিয়োগ এবং উন্নত শিক্ষার পরিবেশের দাবিতে এবার রাজপথে নেমেছে ইতালির শিক্ষার্থীরা। দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে যায় তারা। মন্ত্রণালয় ভবনের পুলিশের দিকে আতশবাজি নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীরা।

আলবেনিয়া

শিক্ষাব্যবস্থার সংকট, দুর্নীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে উত্তাল আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানা। শিক্ষা, আইন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভবনসহ বেশ কয়েকটি সরকারি স্থাপনায় পাথর ছুড়ে, অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা। আলবেনিয়ার সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিদেশী শক্তির হাত আছে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী এডি রামা’র।

আরও পড়ুন:

স্পেন

অন্যদিকে শৌচাগারের অভাব আর খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানোর প্রতিকূলতার মধ্যেই স্পেনের মাদ্রিদে চলছে আবাসন সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ। তবে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ক্লান্তি দেখা দিতে শুরু করেছে।

এসএস