ইরানের হামলা অবিলম্বে বন্ধে জাতিসংঘের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ জিসিসি। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দিতে গিয়ে জিসিসি মহাসচিব জসিম আল-বুদাইউই বলেন, ইরানের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। তবে তেহরানের দাবি, তারা আত্ম রক্ষার্থে এবং মার্কিন-ইসরাইল সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে।
আরও পড়ুন:
সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালী ঘিরে। লন্ডনে ৪০টিরও বেশি দেশের কূটনীতিকরা জরুরি বৈঠকে বসেছেন। তাদের লক্ষ্য কীভাবে কূটনৈতিক চাপ বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালী আবার চালু করা যায়।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেন, তারা বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রেখেছে। তিনি সতর্ক করেন, তেল ও খাদ্যের দাম বাড়ায় বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মারাত্মক চাপের মুখে পড়ছে।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, ‘ইরানের বেপরোয়া হামলা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে আঘাত হানছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে, যা বিশ্বজুড়ে জেট ফুয়েল, আফ্রিকায় সার এবং এশিয়ায় গ্যাসকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর একারণেই আমরা প্রণালীগুলো পুনরায় খোলার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এই ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প মনে করেন, এই জলপথ সুরক্ষিত করা যুক্তরাষ্ট্রের কাজ নয়।
শিপিং সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর থেকে উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ২৩টি সরাসরি হামলা হয়েছে, এতে প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন নাবিক।





