যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি সম্ভাবনার মাঝেই, ক্যালেন্ডারের পাতায় ফিরে এলো ২০২৫ সালের ইরান-ইসরাইল ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের স্মৃতি।
গেল বছরের ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরমাণু আলোচনার মাঝেই, তেহরানে অতর্কিত বিমান হামলা চালায় তেল আবিব। পরে হামলায় যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রও। পাল্টা জবাবে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় আইআরজিসি। পরে ১২ দিনের সংঘাত শেষ যুদ্ধের বন্ধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
তবে গেল বছরের যুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় প্রাণ হারান দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাঘেরি, আরআরজিসি’র সর্বাধিনায়ক হোসেইন সালামিসহ এক হাজারেরও বেশি ইরানি। ধ্বংস হয় বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা।
আরও পড়ুন:
রক্তক্ষয়ী সেই সংঘাতের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহতদের স্মরণ করে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে স্মরণসভা। এসব অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শীর্ষ নেতাদের দাবি, হামলার পরও তেহরানের মনোবল ভাঙ্গতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইল।
এছাড়া শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সংঘাতের পরও পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাতিলসহ যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শর্তের কাছে মাথা নত করেনি তেহরান। এমনকি দু’টি রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইসলামি প্রজাতন্ত্র শক্ত অবস্থানে আছেন বলে দাবি করেন আরাঘচি।
আর ইরানের প্রধান বিচারপতি জানান, এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে দু’টি রক্তক্ষয়ী হামলার পরও ইরানের ধর্মীয় আদর্শ ও অনুশীলন বুঝতে পারেনি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র। দেশের জন্য যেকোনো ত্যাগ হাসিমুখে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ইরানের নাগরিকরা। এছাড়া গেল বছর পাল্টা হামলার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের দম্ভ ইরান ভেঙ্গে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন আইআরজিসি’র এক শীর্ষ কমান্ডার।





