হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অস্পষ্টতা থাকায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ১০ দিনের মধ্যেই সংঘাতে জড়ায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। দু’দিনের বেশি সময় ধরে পাল্টাপাল্টি হামলার পর শেষ পর্যন্ত আলোচনায় ফিরেছে তেহরান-ওয়াশিংটন।
এমন প্রেক্ষাপটে কাতারের দোহায় কাঠামোগত পরোক্ষ আলোচনা শুরু হলেও এখনও কোনো সমাধানে আসতে পারেনি কোনো পক্ষই। তবে ইরানের প্রতিনিধিদের সাফ অবস্থান, লেবাননে যুদ্ধবিরতি আর হরমুজের নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে কোনো ছাড় নয়। বিপরীতে হরমুজের জাহাজ চলাচল সচল করার বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল।
আল জাজিরার তথ্য, জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে আনা ছাড়াও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে কাতারের সঙ্গে আলোচনা করেছে ইরানি প্রতিনিধিরা। শিগগিরই এ সংক্রান্ত কিছু অগ্রগতি আসতে পারে বলে দাবি করেছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এছাড়া প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য কিছু কারিগরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী দল। যা পরবর্তীতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকদের কাছে উত্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া চলমান আলোচনার মধ্যে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরান ও ওমানের অধীনে থাকবে- এমন বার্তা দিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে অব্যাহত হামলা শান্তি চুক্তির ভিত দুর্বল করে ফেলছে এমন অভিযোগ এনেছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধি দল।
বিপরীতে ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সঙ্গে কারিগরি আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং সংলাপ এখনও চলছে। একইসঙ্গে ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না বলে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। যদিও দু'পক্ষের মধ্যে সরাসরি কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানাচ্ছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ইরানের পারমাণবিক অধিকার এবং দেশটির সীমারেখা নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।




