আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইম উদ্দিন জানান, প্রাণী কল্যাণ আইন, ২০১৯ এর ১৬(খ) ধারায় প্রত্যেককে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এছাড়া একই আইনের ১৬(ক) ধারায় প্রত্যেককে ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে উভয় ধারার সাজা একত্রে কার্যকর হওয়ায় তাদের দুই বছর কারাভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত মানিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ীর ধলপুরের লিচুবাগান এলাকায় লোহার রড, সাড়াশি ও প্রাণঘাতি ইনজেকশন ব্যবহার করে ২০টি কুকুর হত্যা করে বস্তায় ভরে নিয়ে যায় আবুল খায়ের, অপু ও মানিক। একটি ভিডিও ফুটেজ দেখে পরে তাদের শনাক্ত করা হয়।
ঘটনার দুই দিন পর ২৫ জানুয়ারি অ্যানিমেল লাভারস অব বাংলাদেশের মারুফুল হক আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম। পরে ২০২৪ সালের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
মামলার বিচার চলাকালে আদালত তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।





