নিহতরা হলেন লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানার বলেরহাট গ্রামের ইমাম হোসেনের মেয়ে জান্নাতি (৩২) ও তার সন্তান জুনায়েদ (২)। তারা টঙ্গীর তিস্তার গেট এলাকার জনৈক নূরুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
নিহত জান্নাতির নানা দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার রাতে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কিছু বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয় জান্নাতির। পরে শনিবার সকালে জান্নাতি ও তার শিশু সন্তানকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এরপর স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে জান্নাতি।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানায়, শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরব রেললাইন অতিক্রম করার সময় ট্রেনে কাটা পরে তাদের মৃত্যু হয়। এসময় মরদেহ দুটি খণ্ড বিখন্ড হয়ে যায়। তবে এটি অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত করতে পারেনি রেলওয়ে পুলিশ।
এ বিষয়ে টঙ্গী রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ পরিদর্শক রহিমা আক্তার জানান, খবর মরদেহ দুইটি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।





