ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল 'ফ্যামিলি কার্ড' প্রবর্তন। তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাই ছিল এ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।
নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় ফ্যামিলি কার্ড এর পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাষানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে এই প্রকল্প চালু হচ্ছে। এর আওতায় প্রতিটি নির্বাচিত পরিবার প্রতি মাসে নগদ আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সুবিধা পাবেন।
রাজধানীতে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে পূর্ণ শক্তিতে কাজ করছে প্রশাসন। ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম জানান, ৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষক জরিপসহ ডাটাবেজ তৈরির নানাবিধ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।
ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এ জায়গাতে আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছি যেন কোনো ভুল ভ্রান্তি না থাকে। যতটা সম্ভব এটাকে নির্ভুল করা। এতগুলো তথ্য বস্তিতে যখন আমরা নিতে যাচ্ছি এ মানুষগুলোর কাছে কিন্তু এ তথ্যগুলো নেই।’
আরও পড়ুন:
এদিকে, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে সরকার। কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের স্বচ্ছতার অভাব না থাকে, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘গ্র্যাজুয়ালি এটা উপজেলা থেকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। এ প্রোগ্রামটা আমরা আগামী ৪ বছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ সারা বাংলাদেশে আমাদের যতগুলো পরিবার আছে প্রতিটা পরিবারে এ কার্ড দেয়া হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে একটি ইন্টিগ্রেটি সিস্টেম অব ইনফরমেশন কালেকশন তৈরি করা হবে।’
আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৪ মাসে পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ৪০ হাজার পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুন:




