আজ (মঙ্গলবার, ১০ মার্চ) নগর ভবনে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতি, সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পরিবহন মালিক সমিতি এবং শ্রমিক কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় জানানো হয়, সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢাল থেকে টিটিপাড়া পর্যন্ত সড়কের পাশে থাকা সব অবৈধ টিকিট কাউন্টার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশ দিয়ে অপসারণ করা হবে। পাশাপাশি টার্মিনালের অভ্যন্তরে থাকা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
টার্মিনালের অভ্যন্তরে প্রকৃত বাস কোম্পানিগুলোর জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে টিকিট কাউন্টার বরাদ্দ দেয়া হবে। এ কাজে বাস মালিক সমিতি, ডিএসসিসি এবং পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
এছাড়া টার্মিনালকে ডিপো হিসেবে ব্যবহার না করে নির্ধারিত পাঁচটি বাস-বে ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাত্রী ওঠানামার জন্য বাসগুলো সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে টার্মিনালে নতুন তথ্যকেন্দ্র স্থাপন এবং মাতৃদুগ্ধ পান করানোর জন্য আলাদা কক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঈদযাত্রার আগে টার্মিনালের অসমাপ্ত সংস্কারকাজ শেষ করা, শৌচাগার মেরামত এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে পরিবহন মালিক সমিতিকে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি টার্মিনালের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত বাসগুলো জব্দ করে অপসারণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ট্রাফিক বিভাগকে, যাতে সড়কের যানজট কমানো সম্ভব হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে যানজট নিরসনে সিটি করপোরেশন, পুলিশ, বাস মালিক ও শ্রমিকরা সমন্বিতভাবে কাজ করবে। যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
এদিকে, নতুন প্রশাসকের সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালনা কমিটির দ্বাদশ কর্পোরেশন সভাও বিকেলে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বোর্ড সদস্যরা প্রশাসককে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রশাসক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।





