পবিত্র ঈদুল ফিতরের এখনো প্রায় এক সপ্তাহ বাকি। তবে তার আগেই ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে।
আজ (রোববার, ১৫ মার্চ) সকাল ১০টা পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটসহ বিভিন্ন রুটে ছেড়ে গেছে ১৮টি ট্রেন। আগেভাগেই বাড়ি ফিরছেন অনেকে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই শিক্ষার্থী ও চাকুরিজীবীদের পরিবারের সদস্য।
একজন যাত্রী বলেন, ‘ট্রেন যাত্রা এবার অনেক আনন্দদায়ক লাগছে। তাছাড়া টিকিট নিয়েও তেমন কোনো সমস্যায় পরতে হয়নি।’
আরও পড়ুন:
যাত্রীরা বলছেন, ঈদের আগমুহূর্তে অতিরিক্ত ভিড় ও যাত্রাপথের সম্ভাব্য ভোগান্তি এড়াতেই অনেকেই আগে ভাগে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়েই ট্রেন প্ল্যাটফর্ম ছাড়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেক যাত্রী।
উত্তর আর পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতের জন্য আলাদা আলাদা সময় থাকার কারণে এবার তেমন কোনো সমস্যায় পারতে হচ্ছে না বলে জানান যাত্রীরা।
তবে ঈদযাত্রার শুরুতেই কিছু অব্যবস্থাপনাও চোখে পড়েছে। ট্রেনের বগি নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের এদিক-সেদিক ছুটোছুটি করতে দেখা যায়। এছাড়া হঠাৎ প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তনের কারণেও রোজার দিনে যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে।
যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, রেলওয়ে বরাবরের মতোই যাত্রীদের নিয়ে উদাসীন। একাধিক বগির নাম্বার না থাকারও অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, রবিবার পর্যন্ত কোনো ঈদ স্পেশাল ট্রেন ছাড়েনি। তবে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় রুটে সারাদিনে কমলাপুর স্টেশন থেকে মোট ৫৪টি ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।





