বৈঠকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন, শিশুদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতে টেকসই অগ্রগতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন:
বিশেষ করে, পরিবারভিত্তিক সহায়তা কর্মসূচি, শিশুদের পুষ্টি ও মানসিক বিকাশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, নারী উদ্যোক্তা মিস মেহনাজ মান্নান, যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি. এম. সালাহউদ্দিন মাহমুদ।





