তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার শক্তিকে অক্ষুণ্ণ রাখতে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, সেই একই অপশক্তি আজ ভিন্ন মোড়কে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।’
তিনি দেশবাসীকে হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘এই অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। এদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ওপর যে কোনো আঘাত মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন:
বক্তব্যের একপর্যায়ে কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়।’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত এ দেশের মানুষ ধারাবাহিক সংগ্রাম করেছে।’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তিনি প্রতিশোধ নয়, বরং দেশ গড়ার পরিকল্পনা সামনে এনেছেন।’ নির্বাচনের পর উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েক দশক ধরে গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের সেই ত্যাগ বৃথা যেতে দেয়া হবে না এবং অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
এসময় তিনি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে পরিচিত জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।





