সকালে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে দেখানো হয় ফগ মেশিনের ব্যবহার, নানা ঔষধ স্প্রে, মশা প্রতিরোধী গাপ্পী মাছের ব্যাবহারসহ মশক নিধনে নানা পদ্ধতি।
সচেতন করা হয়, কমোড বেসিন, কৌটোর ভাঙ্গা টুকরা, পাত্রসহ সহজে যেসব স্থানে পানি জমে সেসব স্থান পরিষ্কার করার। এ সময় রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ ঘুরে ঘুরে দেখেন প্রশাসক।
আরও পড়ুন:
এ সময় তিনি অংশ নেন, ফগ মেশিনের মাধ্যমে ধোঁয়া দেয়া, পানিতে গাপ্পি মাছ ছাড়াসহ মশা প্রতিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমে। এ সময় তিনি জানান, বর্ষাকে সামনে রেখে ডেঙ্গুর আবির্ভাব রুখতে তাদের এ পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। যেহেতু স্কুল কলেজ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিলো সেহেতু এ জায়গাগুলোতে মশার উৎপাত বেড়েছে। ফলে এখান থেকেই তাদের মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যা চলমান থাকবে।
এ সময় মশক নিধন কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন শফিকুল ইসলাম মিল্টন। এছাড়া রাস্তার পাশে পড়ে থাকা ব্যক্তিগত ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।





