সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘যথাযোগ্য মর্যাদায়, চিরায়ত ধারায় পহেলা বৈশাখ পালিত হবে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চারুকলা অনুষদ, বাংলা একাডেমি, নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে সমন্বিত মিটিং করেছি। শোভাযাত্রা, আল্পনা, গানবাজনা, মেলা হবে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।’
তিনি বলেন, ‘আনন্দ কিংবা মঙ্গল শোভাযাত্রা যে নামেই হোক, অন্তর্বর্তী সরকার পহেলা বৈশাখ পালন করায় তাদের ধন্যবাদ। তারা ডকট্রিন অব নেসেসিটির কারণে এসেছিলো। তাদের দায়িত্ব নিয়ে অনেক কিছুই সামলাতে হয়েছে। অতএব তাদের সমালোচনা করার কারণ দেখি না।’
আরও পড়ুন:
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘একটি প্রবণতা আছে মুক্তিযুদ্ধ বাদ দিয়ে চব্বিশকে বলার। আমরা সেটি করতে চাই না। আমরা নববর্ষ উদযাপনে মুক্তিযুদ্ধের আগেও যেতে চাই। বায়ান্ন, উনসত্তর, একাত্তর, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধে কার কী ভূমিকা সেটি তুলে ধরতে চাই। গণতন্ত্র কীভাবে চর্চা হয়েছে সেটাও তুলে ধরতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে আনন্দ শোভাযাত্রা নাম দেয়ায় ধন্যবাদ জানাই। তবে এটা দেয়ার কোনো প্রয়োজন ছিলো না। আনন্দ শোভাযাত্রা কিংবা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম নিয়ে বিতর্ক দেশকে আরও বিভক্ত করবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘একটি সমাজে মানুষের চিন্তাভাবনা, রাজনৈতিক আদর্শের পার্থক্য থাকতে পারে; এটি গণতান্ত্রিক সমাজের সৌন্দর্য। আমরা শুধু বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য চাই, ঐক্যবদ্ধ সমাজ চাই। আনন্দ কিংবা মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম নিয়ে বিতর্ক অনর্থক মনে করি।’
আরও পড়ুন:
দেশের প্রতি এ সরকারের দায়বদ্ধতা আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপামর জনসাধারণ। সেকারণেই চব্বিশের অভ্যুত্থান। তেমনি মৌলবাদী ধ্যান-ধারণা, চিন্তার বিরুদ্ধে আমরা। প্রগতির দিকে যেতে চাই। দেশের প্রতি এ সরকারের দায়বদ্ধতা আছে। অপসংস্কৃতি থাকবে না, জীবনমুখী সংস্কৃতি গড়ে তুলবে সরকার।’
যথাযোগ্য মর্যাদায় পহেলা বৈশাখের সব অনুষ্ঠান পালন করা হবে বলেও জানান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।’





