বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ড্রিম কান্ট্রি হলেও, ট্রাম্পের সীমিত অভিবাসন নীতির কারণে ভাটা পড়ছে ইচ্ছে পূরণের। গেল সপ্তাহে এ পালে হাওয়া লাগায় গ্রিন কার্ড বা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস নিয়ে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসের এক বিজ্ঞপ্তি।
এতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রে বসে আর গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে পারবেন না অস্থায়ী ভিসাধারীরা। তাদেরকে কার্ডটি পেতে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তবে নানা মহলে বিতর্কের মাঝেই চলতি সপ্তাহে ইস্যুটি নিয়ে কিছুটা নমনীয় বার্তা দেয় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। জানায়, এটি কোনো ঢালাও পরিবর্তন নয়। সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে কিনা তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার ওপর। অর্থাৎ, কর্মকর্তারা চাইলে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রিন কার্ডের আবেদন করা ব্যক্তিকে নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। মূলত যাদের ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রে থেকে সরকারি সুযোগ সুবিধা বেশি গ্রহণ করছেন তারাই এর আওতায় পড়বে। এছাড়াও এই বিশেষ ক্ষমতা আগে থেকেই ইমিগ্রেশন অফিসারদের ছিল বলেও নিশ্চিত করেছ হোমল্যান্ড বিভাগ।
আরও পড়ুন:
তবে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নমনীয় বার্তা মন গলাতে পারছে না অভিবাসন প্রত্যাশীদের। অনেকেই দ্বারস্থ হচ্ছেন আইনজীবীদের কাছে। আইনজীবীরা বলছেন, এটি কেবল নীতিগত একটি পরিবর্তন, বৈধ কোনো আইন নয়। তাদের ব্যাখ্যা, দীর্ঘদীনের প্রচলিত নিয়ম একতরফা নির্দেশনার মাধ্যমে পরিবর্তনের চেষ্টা করলে তা নিশ্চিত আইনি বাধার মুখে পড়বে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে একটি বৈধ অনুমোদন হলো গ্রিন কার্ড। এটি প্রাপ্তির ৫ বছর পর একজন ব্যক্তি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন।




