মন্ত্রী বলেন, ‘বৈসাবি নামটিতে শুধু তিনটা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব ছিলো। যে কারণে এবার সেটি বাদ দিয়ে বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান, চাংক্রান নামে ১২ এপ্রিল থেকে উৎসব পালন শুরু হবে।
তিনি জানান, সকালে র্যালির মাধ্যমে কর্মসূচি উদ্বোধন হবে। পাহাড়ের ঐতিহ্য মেনে রমনা পার্কের লেকের জলে ভাসানো হবে ফুল।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বকীয় কৃষ্টি সংস্কৃতি রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন। দেশে পাহাড়ি বাঙালি ভেদাভেদ নেই। সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য। এখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।’
এদিকে পাহাড়ি জনগণের স্বকীয়তা রক্ষা করে তাদের উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত রাখা সরকারের লক্ষ্য বলে জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।





