আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহ থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু করা হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চলবে। এর মধ্যে তিন দিন সশরীরে এবং তিন দিন অনলাইনে পাঠদান করা হবে। সশরীরে ক্লাস হবে শনিবার, সোমবার ও বুধবার; আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষকেরা প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে অনলাইন ক্লাস নেবেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে, সেখানেই পর্যায়ক্রমে এই ব্লেনডেড পদ্ধতি চালু করা হবে।
মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করা হয়, এই যে ১৫ দিনের যুদ্ধবিরতি হয়েছে, জ্বালানি সংকট আস্তে আস্তে কেটে যাবে এরকম বলা হচ্ছে। এসময়ে অনলাইন ক্লাসের প্রাসঙ্গিকতা আছে কি না? আর এক মাস পর থেকে ইংলিশ মিডিয়ামে স্টুডেন্টদের এলাকাভিত্তিক পরীক্ষা হবে, তারাও অনলাইনে যেতে চাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে কী হবে?
মন্ত্রী বলেন, ‘না না, আমরা সব সময় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করি। সো, ডোন্ট রেইজ এনি আদার পার্ট অব দ্য কোশ্চেন উইচ ওয়ান উই হ্যাভ অলরেডি ডিসকাসড। ওকে? গতকাল ডিসকাশন হয়েছে, ডিটেইল ডিসকাশন হয়েছে।’
তাহলে ঢাকার বাইরে যে জেলা স্কুলগুলো, এগুলোতে কী সিদ্ধান্ত হবে—প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ওগুলো আরেকটা বিষয়, আজকে এটাতে থাকেন! অনেক বিষয় আছে, ১০ ঘণ্টা আপনি ইন্টারভিউ নিতে পারবেন। এখানে এইটাতে থাকি, কষ্ট দিচ্ছি উনাদের। আমাদের এই প্রেস কনফারেন্স শেষ করতে দেন, তারপর কথা বলবো।’
যেহেতু এখন ৬ দিনই ক্লাস জারি করা হয়েছে, শিক্ষকদের তো এক দিন ছুটি সম্পর্কে বলা হচ্ছে কি না? মন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, এটার জন্য আপনারা আসলে কী করবেন?’
কিন্ডারগার্টেন স্কুল আপনারা বলছেন; যে যে স্কুল চাইবে, তারা এ পদ্ধতিতে আসতে পারবে। যারা চাইবে না, তারা আসবে না। তাহলে সেক্ষেত্রে তো একটা বৈষম্য তৈরি হবে না যে একই স্কুলে?
মন্ত্রী বলেন, ‘না না, কোনো বৈষম্য তৈরি হবে না। আমরা আমাদের শহরে রিনাউনড স্কুলগুলো; যেটাতে গতকাল ডিসকাশন হয়েছিল যে গাড়ি নিয়ে আসে-যায়, যানজট তৈরি করে, এইটা তো কালকে ডিসকাশন হয়েছে। আমরা সারা দেশ না, সারা মেট্রোপলিটন না। আরেকটা জিনিস, এইতো বলেছি অ্যাপ্লুয়েন্ট সোসাইটির এই স্কুলগুলো, দে ক্যান অ্যাফোর্ড। এভরিবডি ক্যান নট অ্যাফোর্ড ইট। লেটস স্টার্ট এ প্রোগ্রাম— এগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।’
এ সিদ্ধান্তের আল্টিমেট গোলটা কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মোটিভেটেড, তাদের ডিজিটাল এডুকেশন নিয়ে কালকে ডিটেইল ডিসকাশন করেছি। সারা দেশে আমরা যদি প্রস্তুতি নিই, সারা দেশেই আমরা যাব যদি প্রস্তুতি আমরা নিতে পারি। হঠাৎ করে এমন কিছু স্টিপুলেট করা যাবে না যে, লেখাপড়ায় ধস নামবে। এটা আমাদেরই সম্পদ। সেটা ভেবে-শুনে আস্তে-ধীরে আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা এগোবো। আপনি যদি কোনো হার্ড অ্যান্ড ফাস্ট কোশ্চেন করেন, এইটার কোনো উত্তর নেই। আওয়ার প্ল্যান টু গো অ্যাহেড, এটা আপনারা বুঝতে পেরেছেন তো? সহযোগিতা কামনা করছি।’





