আজ (শনিবার, ২০ জুন) বিকেলে বনানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়া ও সাংস্কৃতিক কাজেও পারদর্শী হতে হবে। তবে অবশ্যই নানা ধরনের খেলা খেলতে হবে। এ বছর এই গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট মাধ্যমিক পর্যায়ে আয়োজন করার পরিকল্পনা আছে। পরের বছর প্রাইম মিনিস্টার কাপের আয়োজন করা হবে।’
এ সময় সবুজ মাঠে ফুটবল খেলতে কেমন লাগলো ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চান তারেক রহমান। ‘কে কে খেলতে চাও’ এ প্রশ্নের জবাবে অনেক শিক্ষার্থী হাত তুললে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর ২২ লাখ বালক-বালিকা এ ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছে। তবে শুধু ফুটবল খেললে হবে না। ক্রিকেট খেলতে হবে, সাঁতার কাটতে হবে। তোমরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাই তোমাদের সবকিছুতে এগিয়ে যেতে হবে, সব কিছুতে পারদর্শী হতে হবে।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশাত্মবোধক গানের সঙ্গে বর্ণিল ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থী ও দর্শকরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে সমগ্র স্টেডিয়াম ঘুরে ঘুরে শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন ও অভিনন্দন জানান। এরপর তিনি বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের বালিকাদের চূড়ান্ত খেলার উদ্বোধন করেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম, আমরা বিজয়ী হলে দেশের খেলাধুলাকে এগিয়ে নেবো। সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে আমরা কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, শুধু ফুটবল বা ক্রিকেট নয়, সব ধরনের খেলা খেলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে তোমরা। আমরা যতটুকু পেরেছি, তোমরা এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি করবে।
চূড়ান্ত খেলায় বালিকা বিভাগের ফাইনালে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
অন্যদিকে বালক বিভাগের ফাইনালে ত্রিশালের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।—বাসস





