ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সুসম্পর্কের পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি বড় ক্ষেত্র হলো পরিবেশগত সুরক্ষা, যা নিয়ে উভয় দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।’
বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবেশমন্ত্রী কার্বন নিঃসরণ হ্রাসসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উপস্থাপন করেছেন। পরিবেশ সুরক্ষায় দুই দেশের মন্ত্রীদের মধ্যেই চমৎকার আন্তরিকতা ও বন্ধুত্ব রয়েছে, যা কাজকে আরও সহজ ও গতিশীল করবে।’
আসন্ন গ্লোবাল ক্লাইমেট সামিট (কপ) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কপ সম্মেলনের প্রস্তুতি যথারীতি এগিয়ে চলছে। সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত এবং তিনি এ বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত।’
পরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ অত্যন্ত দৃঢ়। বাণিজ্য, রাজনীতি ও পরিবেশ সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে উভয় দেশের মধ্যে আলোচনা ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।





