আজ (বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বিকেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভগ্নিপতি মানিক মিয়া জানান, গ্রামে শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন মিজান বেগম। তাই চিকিৎসা করাতে গ্রাম থেকে কাল ঢাকায় আসেন। আজ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কুড়িল বিশ্বরোড মোড়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল আসতে দেখে তিনি সামান্য পিছিয়ে দাঁড়াতে যান। তখনই পা পিছলে সড়কের আইল্যান্ডের সঙ্গে সজোড়ে আঘাত পান। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত স্থান থেকে উদ্ধার করে তাকে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ঢামেকে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মিজান বেগম কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের মোর্শেদ আলীর মেয়ে এবং মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী। তিনি চার ছেলে ও দুই মেয়ের জননী ছিলেন। তার স্বামী গ্রামে কৃষিকাজ করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।





