তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে নাজুক অবস্থা এতোটা নাজুক নিকট অতীতে ছিল না। সেই সকল দিক বিবেচনা করে আমার মনে হয়, সরকারের দুটো মন্ত্রীর ঘাড়ে পঞ্চাশ শতাংশ দায়িত্ব; অর্থ এবং স্বরাষ্ট্র। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অন্য সকল মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারে যতটুকু আগ্রহ-উৎসাহ এবং অতি তৎপরতা, এই তৎপরতা যদি ওনি ওনার নিজের মন্ত্রণালয়ে দেখাতেন, তাহলে দেশবাসী উপকৃত হতো।’
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘অর্থনীতি এবং আইনশৃঙ্খলা এই দুইটি জায়গায় যদি দৃশ্যমান অগ্রগতি না হয়, তাহলে এই সরকারের পরিণতি সত্যিকার অর্থেই দুঃখজনক হবে। নতুন অর্থবছরের যে বাজেট দেয়া হয়েছে, সেই বাজেটের বিশ্লেষণ করে আমি সংসদেও কথা বলেছি এবং এটি কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট সেটাও একটা বড় প্রশ্ন।’
এসময় তিনি মামলা বাণিজ্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এলাকায় এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা মামলার ব্যবসা করছে। এটা আমি সংসদেও বলেছি। আমি সরকারকে বলব এবং আমাদের অত্যন্ত জ্ঞানী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব বিষয়টি আপনি দেখবেন। কারণ, মনে রাখবেন নাথিং গোউজ আর আননোটিশড অ্যান্ড আনপানিশড। আজকে আপনি যা করছেন, একদিন আপনাকে তার জন্য কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
এ সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে তার কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।





