নোটিশে অভিযোগের বিষয়ে ফখর উদ্দিন আহমেদের কাছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এর আগে ভালুকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ওঠার পর ফখর উদ্দিন আহমেদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
নোটিশে সে বিষয়টি তুলে ধরে বলা হয়, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে আপনাকে গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কৃত অপরাধের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক উক্ত বহিষ্কারাদেশ গত ২৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে প্রত্যাহার করে আপনার প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি ও আপনার ঘনিষ্ঠ লোকজন আবারও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নানা ধরনের অনৈতিক অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘আপনার বিরুদ্ধে এ ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার যথাযথ কারণ দর্শিয়ে আগামী ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার মধ্যে একটি লিখিত জবাব দলের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য আপনাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।’
ময়মনসিংহ জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব মো. রুকুনোজ্জামান সরকার বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জেনেছি। কিন্তু কী কারণে শোকজ করা হয়েছে, কী অভিযোগ আছে তার বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখনো পর্যন্ত আমি আনুষ্ঠানিকভাবে শোকজের চিঠি হাতে পাইনি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি, চিঠি সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দল যদি সুনির্দিষ্টভাবে আমার কাছে ব্যাখ্যা চায়, আমি অবশ্যই দেব। আমি দলের প্রতি আনুগত্যশীল। আমার এলাকায় কোনো সমস্যা নেই, সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছে।’





