টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জয়ের আনন্দে ভাসছে দেশ। সেই আনন্দ ছুঁয়ে গেছে জাতীয় দলের ফুটবলারদেরও। এখন টিভির মুখোমুখি হয়ে তরুণদের নিয়ে উচ্ছ্বাস জানিয়েছেন জামাল ভূঁইয়া-মামুনুল ইসলামরা।
বয়সভিত্তিক সাফের শিরোপা জেতাকে বড় অর্জন বলেই মনে করছেন জামাল। এখান থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় দলের খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে বিশ্বাস তার। মামুনুলও জানালেন দলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ হওয়ার কথাই।
বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘যখন আপনি জুনিয়র লেভেল থেকে চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন করবেন তখন এই ফ্লো টা শেষ পর্যন্ত যায় ন্যাশনাল টিম পর্যন্ত।’
বাংলাদেশ ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘ফিউচারের জন্য ভালো। কারণ যেটা এখন অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আগামী দশ বছরে আমি মনে করি তাদের একটি বড় প্রভাব পড়বে। আমার মনে হয় যারা কোচ ছিলেন তারা একটূ ভয়ে ছিলেন। কিন্তু যখন উনি নামছেন তখন তিনি প্রমাণ করেছেন যে এ লেভেলের খেলা উনি সহজেই খেলতে পারেন।’
আরও পড়ুন:
এবারের দলে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ছিলেন। তাদের অন্তর্ভুক্তিতে দলের শক্তি বেড়েছে বলে মনে করেন মামুনুল। জামালের মতে প্রবাসী খেলোয়াড়রা সুযোগ পেয়ে নিজেদের প্রমাণ করেছেন।
মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘তারা যখন আসে তখন আমাদের টিমের স্ট্যান্ডার্ড একটু বেড়ে যায়। আমি মনে করি এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো দিক।’
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রোনানের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ জামাল। সাফ জয়ী দল থেকে এই ফরোয়ার্ডকে দ্রুত জাতীয় দলে দেখতে চান মামুনুল।
মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘রোনান আসার পর যেটা হয়েছে তা হলো সে চেঞ্জিংয়ে নামার পর দুই গোল করা, এক্সট্রা অর্ডিনারি ফ্রি কিকে গোল করা।’
জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার মনে হয় দুইজনেই ভালো খেলেছে। রোনান মানে উনি একজন আই ক্যাচিং প্লেয়ার। উনি গোল করেছেন, অ্যাসিস্ট করেছেন। তো উনার ইমপ্যাক্ট অনেক আই ক্যাচিং ছিলো।’
বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সাফের এই শিরোপা জয় জাতীয় দলকেও ভালো করতে উৎসাহ দেবে বলে বিশ্বাস করেন জামাল-মামুনুলরা।





