আমিনুল হক বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের সহযোগিতায় আমরা একটি ক্রীড়াবান্ধব ও ক্রীড়ামোদী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।’
কৃষক কার্ড বিতরণ নিয়ে তিনি বলেন, ‘কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণ দেয়া, ন্যায্যমূল্যে কৃষিসামগ্রী পৌঁছে দেয়া। কৃষকদের কৃষি সামগ্রী যাতে কৃষকরা সঠিক সময়ে কৃষিখাত ব্যবহার করতে পারে। কৃষির উন্নয়নই বাংলাদেশের উন্নয়ন।’
ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশের জাতীয় খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ২ মে নতুন কুড়ি স্পোর্টস সিলেট থেকে একযোগে সারা বাংলাদেশের জেলা শহরে প্রত্যেকটি স্টেডিয়ামে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী বাচ্চাদের নতুন কুড়ি স্পোর্টস শুরু হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মরা উঠে জাতির জন্য, সমাজের জন্য গড়ে উঠতে পারে। নতুন কুড়ি স্পোর্টস কার্যক্রম বাংলাদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে ইনশা আল্লাহ। পাশাপাশি আপনাদের এই টাঙ্গাইল থেকে শুরু করে সারা দেশে মাঠ সংগ্রহ নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। আশা করি টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে শুরু করে জিমনেশিয়াম যেখানে যেখানে সমস্যা রয়েছে সেগুলো দ্রুত সমাধান করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ৪র্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মৌখিক আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই কাজগুলো একটি একটি করে পরিকল্পনামাফিক শেষ করবো।
আরও পড়ুন:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৮টি জেলায় জনশক্তি কর্মসংস্থানের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, ‘যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি এখানে কিছু কর্মকর্তাদের গাফলতি রয়েছে। সেটা আমি নিজে তদারকির মাধ্যমে সমাধান করবো ইনশা আল্লাহ। কারো যদি গাফলতি থাকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, জেলা প্রশাসক শরীফা হকসহ আরও অনেকে।





