ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে মাত্র ১৪.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। হাতে ছিল ৬ উইকেট।
১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ঝড় তোলেন ওপেনার সাইফ হাসান। ইনিংসের প্রথম বলেই চার হাঁকান তিনি। একই ওভারে আরও একটি চার মারলেও শেষ বলে আউট হন ৮ রান করে। এরপর সৌম্য সরকার নেমে কিছুটা আক্রমণাত্মক শুরু করলেও ১১ বলে ৮ রান করে ফিরে যান।
দলের চাপে হাল ধরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১২০ রানের জুটি, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তামিম ছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। মাত্র ৫৮ বলে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৭৬ রান। জেইডেন লেনক্সের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি।
শান্ত ছিলেন ধীরস্থির। ৭১ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। এরপর বাকিটা সহজেই শেষ করে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন:
এর আগে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানে বাংলাদেশের বোলাররা। নাহিদ রানা পাওয়ার প্লেতেই হেনরি নিকোলস (১৩) ও উইল ইয়াংকে (৭) ফিরিয়ে দেন। পরে সৌম্য সরকারের শিকার হন অধিনায়ক টম লাথাম, যিনি ৩৫ বলে করেন ১৪ রান।
৫২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর নিক কেলি ও মুহাম্মদ আব্বাস ৫৬ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন। আব্বাস ১৯ রান করে নাহিদের বলে আউট হন। অন্যদিকে কেলি সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও থামেন ৮৩ রানে। ১০২ বলে তার ইনিংসে ছিল ১৪টি চার। শরিফুল ইসলামের বলে হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
শেষদিকে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন ভেঙে পড়ে। জশ ক্লার্কসন, ডিন ফক্সক্রফট, ব্লেয়ার টিকনার ও জেইডেন লেনক্স দ্রুত বিদায় নেন। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাহিদ রানা। তিনি তুলে নেন ৫ উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম নেন ২টি উইকেট। এ জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে শেষ ম্যাচকে অঘোষিত ফাইনালে পরিণত করেছে বাংলাদেশ।





