মিরাজে শুরু-মিরাজেই শেষ পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ। দারুণ ছন্দে থাকা পাকিস্তানকে শেষ বিকেলে ব্যাকফুটে ঠেলে দিলো বেরসিক বৃষ্টি আর মিরাজের ভেলকি। তার স্পিনজাদুতে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশও পেল লিড।
মিরপুর টেস্টে দ্বিতীয় দিন থেকেই বাংলাদেশের বোলিং লাইন আপের ওপর দাপট দেখাচ্ছিলেন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। ওপেনিংয়ে শতরানের জুটি ভাঙার কাজটা করেছিলেন মেহেদি মিরাজই। তৃতীয় দিনেও প্রথম সেশনে জোড়া আঘাত হানেন তিনি। শেষদিকে নোমান আলী আর শাহীন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে স্পর্শ করেন ৫ উইকেট শিকারের মাইলফলক।
আরও পড়ুন
দিনশেষে মিরাজ জানিয়েছেন, নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস আর সতীর্থদের সমর্থনই আরও একবার মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ করে দিয়েছে তাকে।
বাংলাদেশ টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘আমি আর তাসকিন দুইজনই ভালো বোলিং করেছি। এজন্য তারা মিছ করেছে আর আমরা সুযোগ পেয়েছি। টেস্ট ক্রিকেটে মূলত যত ভালো বোলিং করা যায়, তারপর সাফল্য আসবে।’
লাল বলের ক্রিকেটে মিরাজের স্পিন ঘূর্ণির প্রমাণ অবশ্য বহুবার দেখেছে বাংলাদেশ। টেস্ট ক্যারিয়ারে এ নিয়ে ১৪ বার ফাইফার তুলে নিয়েছেন তিনি। কেবল মিরপুরে ৭বার ইনিংসে শিকার করেছেন পাঁচ বা ততোধিক উইকেট। আর পাকিস্তান এ নিয়ে দ্বিতীয়বার শিকার হলো মিরাজের ফাইফারের।
বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে ইনিংসে ৫ উইকেট শিকারের কীর্তিতে মিরাজের উপরে আছেন কেবল দু'জন- সাকিব আল হাসান এবং তাইজুল ইসলাম। সাকিবের ১৯ ও তাইজুলের ১৭ ফাইফারের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ আছে মিরাজের সামনে। একইভাবে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট শিকারী বনে যাওয়ার সুযোগও আছে ২৮ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডারের সামনে।





