এ তো, মিরপুর টেস্ট চলাকালেই ৩৯ বছরে পা রাখেন মুশফিকুর রহিম। অথচ ২২ গজের দুনিয়ায় যেন টগবগে তরুণ হয়ে ছুটে বেড়ান মিস্টার ডিপেন্ডেবল!
বয়স যত বাড়ছে ততই যেন পরিণত হচ্ছেন। ব্যাটটায় ধার বাড়ছে দিনদিন। সাদা বলের ক্রিকেট থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে অভিজাত সংস্করণে মনোযোগ দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন ক্রিকেট দুনিয়ার অভিজাতদের তালিকায়। সিলেটে যেমন সেঞ্চুরি করে বনে গেছেন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সর্বজ্যৈষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান।
আরও পড়ুন:
১৩৭ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলতেও অবশ্য বেশ বেগ পেতে হয়েছে। দিনের শুরুতেই নাজমুল শান্তর উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদের মুখে তখনই বরাবরের মত ত্রাতা হয়ে আসেন মুশি। লিটন দাসের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিপদ কাটান। তাইজুল-শরিফুলদের মত টেলএন্ডারদের সঙ্গী করে তুলে নেন সেঞ্চুরিও। ২১ বছরের লম্বা ক্যারিয়ারে এটি তার ১৪তম টেস্ট শতক। বাংলাদেশের পক্ষে লালবলের ক্রিকেটে এত সেঞ্চুরি নেই আর কারো।
টেস্টে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি পঞ্চাশোর্ধ ইনিংসের মালিকও মুশি। এ সংস্করণে পাকিস্তানের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি রানের মালিকও বনে গেছেন টাইগারদের নির্ভরতার প্রতীক।
এদিন সাদা জার্সিতে খেলতে নেমে রেকর্ডবুকের রঙিন পাতায় আরও একটা অধ্যায় যোগ করেছেন মুশফিকুর রহিম। তিন সংস্করণ মিলিয়ে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে পূর্ণ করেছেন ১৬ হাজার রান।
ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে চলে এসেছেন মুশি। আর বেশিদিন হয়তো দেখা যাবে না জাতীয় দলের জার্সিতেও। তবে যতদিন খেলে যাবেন ততদিন রানফোয়ারা ছোটাবেন, দলকে উদ্ধার করতে লড়াই করবেন আর গড়বেন নিত্যনতুন রেকর্ড- সমর্থকদের এমন চাওয়া তো বেশিকিছুও নয়!




