দেশের লিগ ফুটবল নিয়ে যখন ভক্তরা হতাশার শেষ প্রান্তে, ঠিক তখনই যেন কিছুটা আশার আলো দেখাতে হাজির হয়েছে বাংলাদেশ সুপার লিগের ধারণা। দিন কয়েক আগেই প্রাথমিক চুক্তির পরও এই নিয়ে সরব দেশের ফুটবলপাড়া।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী নতুন এই লিগ হবে ১০ দলের। ছয় নতুন দলের সঙ্গে থাকবে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের চার দল। মাঠের উন্নয়ন থেকে শুরু করে প্রচার-প্রচারের সবটাই করবে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন কোচ নুরুজ্জামান নয়ন। তবে চ্যালেঞ্জ উতরে এই লিগ আলোর মুখ দেখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলির মাঝে।
বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি বলেন, ‘অনেক গুলো চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হবে আপনাকে এখানে। টাইম তো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি যে ভেনুগুলিতে খেলবেন সে ভেনুগুলি রেডি করা, ওই এনভায়রনমেন্টগুলি তৈরি করা, ফরেন প্লেয়ার আসলে তাদের সাথে আসা কলাপ করা। আমি মনে করি সবকিছু মিলে একটা চ্যালেঞ্জ থাকবে। আমি মনে করি যদি করে একটু সময় নিয়ে করুক।’
গোলরক্ষক কোচ নুরুজ্জামান নয়ন বলেন, ‘আইএসএলের মতো, আমরাও যদি এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটা একটা করতে পারি, সেক্ষেত্রে আমাদের স্ট্রাকচারটা অনেক বেশি ইম্প্রুভ হবে এবং যেটা কিনা আমাদের লোকাল যে যখন টুর্নামেন্ট হবে বা লিগ হবে, সেইটার বেনিফিট কিন্তু আমরা পাবো। সো, এটা আমি আশাবাদী। যদি আমরা ইনশাল্লাহ করতে পারি, অবশ্যই আমাদের ফুটবলের জন্য ইতিবাচক হবে।’
তবে শুরু করা গেলে নতুন এই লিগের মান ধরে রাখার তাগিদ এমিলির। আর কোচ নয়ন বললেন, বড় পরিসরের উন্নয়নের স্বার্থে সুপার লিগের সময় নির্ধারণে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট কিছুটা ছাড় দেয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি বলেন,‘প্লেয়াররা যদি এই বিডিএসএল যদি খেলাটা এনজয় করে এবং এটা যদি শুরু হওয়ার পর যদি প্লেয়াররা এটা থেকে থেকে উপকৃত হয়, খেলার মানটা যদি বাড়ে, স্ট্যান্ডার্ড যদি একটা হাইয়েস্ট লেভেলে থাকে, তখন আমি মনে করব যে এটার চালু করার পিছনে বা এইটা শুরু করার একটা যৌক্তিক কারণ আছে। আদারওয়াইজ যদি এইটা আমি মনে করি এইটা যদি একদম নরমাল প্রসেসে আগায়, লাইক প্রফেশনাল লিগ যেভাবে চলে, ওইভাবে যদি আগায়, তাহলে আমি মনে করি এইটা না করাটাই বেটার।’
গোলরক্ষক কোচ নুরুজ্জামান নয়ন বলেন,‘লিগের পাশাপাশি আমরা বেশ কয়েকটা টুর্নামেন্ট খেলি। সো সেই টুর্নামেন্টগুলো কম করে হয়তোবা একটা টুর্নামেন্ট রেখে আর লিগ রেখে যদি আমরা মানে সূচিটাকে আমরা মানে সেট করতে পারি, সেই ক্ষেত্রে কিন্তু একটা আমার মনে হয় দুই থেকে তিন মাস একটা স্লট বের করা যাবে।’
প্রাথমিক আলোচনা এবং পরিকল্পনার পর্যায়ে থাকা এই লিগ আগামী মৌসুম থেকেই বিতর্কহীনভাবে মাঠে গড়াবে, এমনটাই প্রত্যাশা ফুটবল সংশ্লিষ্টদের।





