
তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে আয়কর দপ্তরের অভিযান, ক্ষোভে ফুঁসছেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আবহে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আয়কর দপ্তরের অভিযান তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে। আজ (শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাসবিহারী আসনের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযান চালানো শুরু করে।

বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে ভোটার তালিকায় সংশোধন করা হয়েছে: অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ‘ভোটার তালিকায় সংশোধন (এসআইআর) একটা বড় দুর্নীতি। এটা আদৌ এসআইআর নয়। বিজেপিকে ক্ষমতায় আনবার জন্য একক প্রচেষ্টা। একদিন এটা প্রমাণিত হবে। আমরা সেই দিনের জন্য অপেক্ষা করছি। কারণ সবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।’

ভারতের তিন রাজ্যে চলছে ভোটগ্রহণ
ভারতের আসাম, কেরালা এবং পুদুচেরিতে চলছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে উৎসবের আমেজে সকাল ৭ টা থেকে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।

বিজেপির নীতি দু’মুখো: ‘ওরা মা দুর্গাকেও মানে না, হযরত মুহাম্মদকেও মানে না’
পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ৯১ লাখ মানুষের নাম। আসন্ন নির্বাচনে এই মানুষদের ভোট দেয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। যদিও নাম বাদ যাওয়ার পরে ট্রাইব্যুনালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। বাদ যাওয়া এই বিশাল সংখ্যক মানুষের মধ্যে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, তপশিলি, রাজবংশীসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ রয়েছেন। আর তা নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

ক্ষমতায় এসে ভয়ের পরিবেশ দূর করা হবে—নির্বাচনি প্রচারণায় মোদির আশ্বাস
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমেই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, এ নির্বাচনে অপরাধকারীরা বাংলা থেকে ভয়ে পালাবে। বিজেপির মহা বিজয় থেকে মানুষের ভরসা তৈরি হবে। বাংলা থেকে ভয়ের পরিবেশ পালাবে। আমি আপনাদের ভরসা দিচ্ছি, এবার নির্বাচনের পর এদের এই পাপের হিসাব নেয়া হবে। ৪ মের ভোট গণনার পর আইন নিজের মতো কাজ করবে। সে যত বড়ই গুন্ডা হোক না কেন, এবার ন্যায় দিয়েই ছাড়বো।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন: তারকা প্রার্থীদের ভিড়ে জমে উঠছে ভোটের মাঠ
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে আবারও আলোচনায় তারকা প্রার্থীরা। ২০১১ সালের নির্বাচনে প্রথমবার অভিনেতা, সংগীতশিল্পী ও ক্রীড়াবিদদের প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর থেকেই রাজনীতিতে সেলিব্রেটি প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়তে থাকে।

বিজেপি সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী: মমতা ব্যানার্জি
বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে একে অপরের বিরুদ্ধে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে তুমুল আলোচনা সমালোচনা চলছে। এবার এ বিষয়ে বিজেপির দিকে অভিযোগের তীর ছুড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি।

ভোট গণনা শেষের পরেও পশ্চিমবঙ্গে থাকছে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
মোট দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোট নেয়া হবে। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল এবং শেষ দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। ৪ মে ভোট গণনা। কিন্তু রাজ্যে ভোট পরবর্তী সহিংসতার আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেও গোটা রাজ্যে প্রায় ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (অস্ত্রধারী) মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন: প্রার্থী তালিকায় তৃণমূলের ২ সাংবাদিক, বিজেপিরও ২
সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে পদার্পণ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের ব্যক্তিদের রাজনীতিতে যোগ দেয়া এবং প্রার্থী হওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে গেছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারত নয় বিশ্বের অনেক দেশেই এটি একটি প্রচলিত ধারায় পরিণত হয়েছে। বর্তমান সময়ে এই প্রবণতা নিয়ে বিতর্কও কিছু কম হয় না।

চতুর্থ বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসার পথে মমতা ব্যানার্জির সরকার
জনমত জরিপের তথ্য
বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত পুরো পশ্চিমবঙ্গ। নির্বাচনে কারা জিতবে তা নিয়েও চলছে আলোচনা। সম্প্রতি এ নিয়ে পরিচালিত এক জরিপের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে চতুর্থবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে শাসন ক্ষমতায় আসতে চলেছে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)।

ক্ষমতায় আসলে ‘মিয়া’দের মেরুদণ্ড ভেঙে দেব: আসামের মুখ্যমন্ত্রী
আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) যদি পুনরায় ক্ষমতায় আসে, তবে তার সরকার ‘মিয়া’দের মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বাঙালি বংশোদ্ভূত মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বিধানসভা নির্বাচন: মমতার দলের বিপক্ষে বিজেপির হয়ে লড়বেন সেই অভয়ার মা
২০২৪ সালের ৯ আগস্ট। কর্তব্যরত অবস্থায় কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের শিকার হতে হয় এক চিকিৎসক ছাত্রীকে (কল্পিত নাম অভয়া)। ওই ঘটনায় গোটা ভারত জুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি প্রদানের দাবিতে আন্দোলন, মিছিল, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, রাত জাগো- একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল।