শীতের কুয়াশা পাশ কাটিয়ে, নরম রোদ আর বসন্তের মৃদু বাতাস। ভেসে আসছে আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ। গাছে গাছে সোনালী রঙের মুকুল যেন প্রকৃতির গোপন কবিতা। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে ওঠা এ মুকুলের শোভা আশা জাগাচ্ছে কৃষকের মনে। ধানের পরেই আমের ওপর বেশি ভরসা রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকদের।
আমের মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণে মাতোয়ারা রাজশাহীর জনপদ। বাগানগুলোতে চলছে আমের মুকুলের পরিচর্যার ব্যস্ততা। কেউ গাছে পানি দিচ্ছেন, কেউবা রোগবালাই থেকে মুকুল রক্ষায় বালাইনাশক স্প্রে করছেন।
চাষীরা জানান, আমের কালার মুকুল ভালো হওয়ার জন্য তিন মাস ধরে ওষুধ দিতে হয় ৬ থেকে ৭ বার।
আরও পড়ুন:
অনুকূল আবহাওয়া ও প্রচুর পরিমাণে মুকুল আসায় এবার আমের ফলন বেশি পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আম চাষীরা। চাষীরা আরও জানান, সব গাছেই মুকুল আসছে। যদি কোনো দুর্যোগ না হয় তাহলে ফলন ভালো হবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং চাহিদা মতো গাছের পরিচর্যা করা হলে রাজশাহী অঞ্চলে আমের ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন ফল গবেষণা কেন্দ্রের এই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।
রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ গাছে মুকুল আসতে পারে। এখন যেরকম আবহাওয়া আছে এরকম আবহাওয়া থাকলে মুকুলের জন্য ভালো হবে। আর ফলন ভালো হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।’
রাজশাহী অঞ্চলে এবছর প্রায় ১৯ হাজার ৬০৩ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিকটন।





