আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেন কুমিল্লা ইপিজেডের নাসা গ্রুপের শত শত শ্রমিক। বেতন, বোনাস, সার্ভিস চার্জ ও প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা নাসা গ্রুপের বিরুদ্ধে পাওনা পরিশোধে গড়িমসির অভিযোগ তোলেন।
জানা যায়, সকাল থেকেই কুমিল্লা ইপিজেডের ১ ও ২ নম্বর গেট এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। পরে তারা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় গিয়ে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিলে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রী ও চালকরা। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের অভিযোগ, নাসা গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান গত ৫ আগস্ট থেকে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে প্রায় দেড় হাজার শ্রমিকের কোনো বেতন-ভাতা বা অন্যান্য পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। প্রথমে কর্তৃপক্ষ পাওনা পরিশোধের আশ্বাস দিলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।
একাধিক শ্রমিক বলেন, বেপজা কর্তৃপক্ষ কয়েকদিন আগে গোপনে ৩০–৩৫ জনকে ডেকে সমঝোতার চেষ্টা করলেও প্রায় ১ হাজার ৫০০ শ্রমিকের পাওনার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দ্রুত তাদের সব পাওনা পরিশোধ না করলে আবারও মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
কুমিল্লা হাইওয়ে ময়নামতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন বলেন, ‘প্রায় দেড় ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছিল। শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর যান চলাচল শুরু হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছু সময় লাগবে।’





