আজ (শনিবার, ১১ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে খাল কেটে পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। এজন্য সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, একসময় এলাকার পানির প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত এ খালটি বছরের পর বছর অবহেলায় পলি, আগাছা ও দখলে মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিল। তবে পুনঃখনন উদ্যোগ ঘিরে এখন খালপাড়ের মানুষের চোখে নতুন স্বপ্নের ঝিলিক দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়রা জানান, আশির দশকে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় খালটি সর্বশেষ খনন করা হলেও এরপর আর তেমন কোনো রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। ফলে অধিকাংশ অংশ পলি জমে ভরাট হয়ে যায় এবং কোথাও কোথাও দখলও হয়। এতে খালের পানির প্রবাহ ব্যাহত হয়ে উল্টো জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ক্ষতির মুখে পড়ে শত শত বিঘা কৃষিজমি। খাল থাকলেও দীর্ঘদিন সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন কৃষকরা।
পুনঃখনন কাজ শুরু হওয়ায় আশাবাদী স্থানীয় কৃষকরা। তাদের মতে, প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে কৃষিতে নতুন গতি আসবে, উৎপাদন বাড়বে এবং জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমে যাবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ খাল পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। তলদেশের গড় প্রশস্থতা ৭ মিটার ও গড় গভিরতা ১ দশমিক ৫ মিটার করে খনন কাজ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি উপকৃত হবেন ৫ হাজার ২০০ মানুষ।





