এসময় জেলা সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ৩, ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের ১ হাজার ৫৯২ জন কৃষক ও বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ ওয়ার্ডের ১ হাজার ৯৬২ জনকে কৃষক পাচ্ছেন প্রথম দফায় এ কৃষক কার্ড।
এদিকে বৈরাতি উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ ও নববর্ষ উপলক্ষে প্রায় ১০ হাজার মানুষের জন্য পান্তা ইলিশ ও গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
পঞ্চগড়ের পাঁচপীর এলাকার কৃষক ময়েনউদ্দীন বলেন, ‘অনেক সরকার এসেছে গেছে কিন্তু কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়নি কৃষকের কষ্ট কেউ দেখেনি। এই সরকার ক্ষমতার যাওয়ার দুই মাসের মাথায় আমাদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দিয়েছে। বছরের প্রথম দিনে এমন উপহার পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত।’
আরও পড়ুন:
এদিকে এক নারী কৃষক আমেনা বেগম বলেন, ‘আমরা পুরুষ মানুষের মতোই কৃষি করে জীবিকা নির্বাহ করি। এ কার্ডের মাধ্যমে আমরা ১০ ধরণের সুযোগ সুবিধা পাবো এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। তিনি নির্বাচনের আগে যে কথা দিয়েছিলেন তা ক্ষমতায় যাওয়ার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করছেন। কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কে কোনো দলের তা দেখা হবে না। যারা প্রকৃত কৃষক তারাই কার্ড পাবেন। আমরা নির্বাচনি ইশতেহারে যা যা বলেছি তা এক এক করে সব পূরণ করবো।’





