সুজানগর উপজেলার তিনফসলী প্রায় ৩০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ না করে গ্যাসের কূপ খননের জন্য লাল পতাকা টানিয়েছে বাপেক্স। অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তি মালিকানার এসব জমির ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জোরপূর্বক প্রকল্পের কাজ পরিচালনা করছে বাপেক্স।
এসব জমিতে পেঁয়াজ, সরিষা, গম, কলার আবাদ হলেও কূপ খননের কথা বলে অনাবাদি ফেলে রেখেছে জমিগুলো। অপরদিকে, রাস্তা প্রশস্ত করার কথা বলে কাটা হচ্ছে বিভিন্ন গাছ। দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।
তারা তাদের মন মতো কাজ করছে। তারা কোনো ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জমি দখল করে নিয়েছে বলে জানান জমির মালিকরা।
প্রতিষ্ঠানটির কেউ ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও নির্মাণ বিভাগের প্রকৌশলী মুঠোফোনে বলেন-আইনগতভাবে করা যায় না কিন্তু সারা বাংলাদেশ এভাবেই কাজ করা হয়।
আরও পড়ুন:
সুপারভাইজার কামরুল বলেন, ‘ক্ষতিপূরণ বাফেক্স দিবে। প্রায় ১ মাস আগে ডিসি অফিসে আমাদের বাফেক্স টাকা দিয়েছে। আর আমরা কাছে চুক্তি পত্রের অনুমোদন পত্র আছে।’
বাপেক্সের ব্যবস্থাপক নির্মাণ বিভাগের প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘আইনগতভাবে এটা কারার নিয়ম না। কিন্তু সারা বাংলাদেশে আমরা এভাবেই করি। টাকাটা তারা পাবে, আর আমরা কাজটা আগে শুরু করার কারণ ডিপিপির একটা মেয়াদ আছে। তাই ওইটা শেষ হওয়ার আগেই কাজটা শুরু করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও মুঠোফোনে জানান, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে এডিসি রেভিনিউর সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দেন তিনি।
পাবনা জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা বলেন, ‘আপনি এডিসি রেভিনিউর সঙ্গে কথা বলেন। আর আমি এ বিষয়ে অবগত নই।’
এদিকে, একাধিকবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ইয়াসমিন মনিরার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উন্নয়ন প্রকল্পের স্বার্থে, কাজ সচল রাখার জন্য-জমি অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি স্থানীয়দের।





