চৈতি ভোলার মাছুমা খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন চৈতী। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত, এসএসসি পরিক্ষায় ইংরেজি পরীক্ষাটি ভালো হয়নি বলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
চৈতির বাবা পুলিশ কনস্টেবল মো. শাহাবুদ্দিন ফকির জানান, চৈতি আমাদের একমাত্র মেয়ে। ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হয়েছে বলে জানিয়েছিলো। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এতটা ভেঙে পড়েছে বুঝতে পারিনি।
আরও পড়ুন:
মা সোনিয়া বেগম জানান, সকালে চৈতি পাঙ্গাস মাছ খাওয়ার আবদার করে তাকে বাজারে পাঠায়। বাজার থেকে ফিরে এসে দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন তিনি। এসময় ঘরের ফ্যানের সঙ্গে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে ভোলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় হতাশা থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে বিকেলে চৈতিকে বরিশালের গৌরনদীতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের উদ্দেশে নেয়া হয়েছে।’





