জমিদারি আর ব্যবসার কারণে বার বার কুষ্টিয়ায় ফিরে আসতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে বসেই রচিত গীতাঞ্জলি কাব্যই এনে দিয়েছে নোবেল আর বিশ্বকবির মর্যাদা। এখানেই জাতীয় সংগীতসহ অসংখ্য কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন কবি। কুঠিবাড়িতে সংরক্ষণ আছে সেসব দিনের নানা স্মৃতি।
এবারে বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে কুঠিবাড়ীতে জাতীয়ভাবে তিনদিনের নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও রং-এর কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন
এবারের আয়োজন ঘিরে রবীন্দ্র প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসপত্র, রক্ষণাবেক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ জাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠান পালন করার দাবি তাদের। পাশাপাশি গবেষণায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিও রবীন্দ্র প্রেমীদের। তার সৃষ্টি কবিতা, গদ্য সব কিছু নিয়ে আরও গবেষণার দরকার বলে মনে করছেন দর্শনার্থীরা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় ৩ দিনের জাতীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। সাংস্কৃতিক বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠান সফলে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, কুঠিবাড়ীতে দায়িত্বরত এ কর্মকর্তা।
কুষ্টিয়া শিলাইদহ কুঠিবাড়ি কাস্টোডিয়ান আল-আমিন বলেন, ‘কবির গান, কবিতা, নিত্য এ সব নিয়েই আমরা অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে। আমরা আশা করছি অতীতের চেয়ে এ বছর সবচেয়ে ভালো অনুষ্ঠান দেশবাসীকে উপহার দিতে পারবো।’
এবারের আয়োজনে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক প্রদর্শনী আর গ্রামীণ মেলা। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধাসহ কুঠিবাড়িকে পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবি এ অঞ্চলের মানুষের।





