হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৪৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৩ জন রোগী। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছে। শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। শিশুদের সময়মতো টিকা প্রদান করলে এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। আমরা আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ঈদের পরের দিনও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছিল।





