হিলি স্থলবন্দরে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু | ছবি: এখন টিভি
0

ছয় দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুর জেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পর পুনরায় ভারত থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ (শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস বিভাগের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এ কথা জানান।

তিনি জানান, দুপুরে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। এরপরই উভয় দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ও ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে।

তবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এ সময়ে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে উভয় দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল বলেও জানান তিনি।

হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল জানান, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় হিলি স্থলবন্দর পিছিয়ে পড়ায় সেখানকার অনেক ব্যবসায়ী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, এ অবস্থায় দেশটির ব্যবসায়ীদের একটি অংশ অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে গত ছয় দিন ধরে দু’দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানিসহ ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল।

পরে ভারত সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় আজ দুপুরে সেখানকার ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে দুপুর সাড়ে ৩টা থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবারও চালু হয়।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ৫টি আমদানিকৃত ভারতীয় পণ্যবোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। একইভাবে বাংলাদেশের পণ্যবাহী ট্রাকও ভারতে প্রবেশ করেছে।

ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যগুলো বিকেল থেকেই তাৎক্ষণিক খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খালাস করা মালামাল ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কর্মকর্তা ওসি মো. এস আই মো. জাকারিয়া জানান, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে আজও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ও স্বাভাবিকভাবে পারাপার করছেন।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের আশা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় স্থলবন্দরের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি ফিরবে এবং ব্যবসায়ীদের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে।

এএইচ