প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্রের সঙ্গে বিএনপি, শহিদ জিয়া ও প্রয়াত খালেদা জিয়ার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যখনই দেশ সংকটে পড়েছে তখনই বিএনপি তার হাল ধরেছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি লুকিয়ে বা গুপ্তভাবে কিছু করেনি, জনগণের অধিকার আদায়ে বিএনপি সর্বদা রাজপথে ছিলো। দেশে, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য যতগুলো নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি সরকার গঠন করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এ মুহূর্তে দেশে বড় সমস্যা জ্বালানির সমস্যা। সমস্যা সমাধানে কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বাস্তবায়ন হতে কিছু সময় লাগবে। ভবিষ্যতে যেন কোনো সংকট তৈরি না হয় সে ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারই হোক অথবা অন্তর্বর্তী সরকারেরই সৃষ্ট সমস্যা হোক সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। এ সমস্যাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। কেউ যদি অরাজকতা করতে চায় তাহলে দেশের আইনে বলা আছে তা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের সীমার মধ্যে থাকা দরকার।’
তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় যেমন গুপ্তরা লুকিয়ে ছিলো, এখন কি সেই গুপ্তদের মধ্যে স্বৈরাচার লুকিয়ে আছে, কে কাকে গুপ্ত করার দায়িত্ব নিয়েছে তা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা দরকার। গুপ্তরা তাহলে কি স্বৈরাচারকে সুযোগ দিচ্ছে? ৭১ থেকে শুরু করে নানা সময়ে তারা একজন আরেকজনকে গুপ্ত বা আড়াল করে দিয়েছে।





