নিহত ইউসুফ খান আজগানা ইউনিয়নের ঘাগরাই গ্রামের দুলাল খানের ছেলে। তিনি আজগানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
ইউসুফ খানের ভাতিজা নীরব খান জানান, গত শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ইউসুফ খান বাড়ির পাশে মাটির সাইট দেখতে যান। তারপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় ইউসুফ খানের বোন পান্না আক্তার ১৫ মার্চ মির্জাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
আরও পড়ুন:
ইউসুফ খান নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ ঘাগরাই গ্রামের আলমগীরের ছেলে রিজন এবং একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী হানিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘাগরাই গ্রামের আলমাসের ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার মাটি বহনকারী একটি ট্রাকের ধাক্কায় হানিফের একটি গাছ ভেঙে যায়। এ নিয়ে হানিফের সঙ্গে ইউসুফের বাগবিতণ্ডা হয়। তাদের ধারণা, মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ইউসুফকে হত্যা করা হয়েছে।
মির্জাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইউসুফের মুখসহ বিভিন্ন শরিরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’





