এদিকে মরদেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ধর্ষণের পর হত্যা ও ধর্ষণের শিকারে গর্ভপাত এমন তথ্য ছড়িয়ে দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিয়ে তৈরি হয় তোলপাড়।
পুলিশ জানায়, গত ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গুনটিয়া গ্রামের লৌহজং নদীর তীর থেকে পচা দুর্গন্ধ আসে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে মাটিচাপা অবস্থায় নবজাতকসহ বস্তাবন্দি অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘একটি শূকরের পাল নদীর তীরের মাটিচাপা স্থানটি আলগা করে দিলে চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আমরা গিয়ে মাথার চুল ও কাপড় দেখতে পাই। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ নবজাতকসহ ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে মির্জাপুরের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরদেহটির দাফন করা হয়।’
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনসহ জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন স্থানীয়রা। মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ঘটনার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও পরিচয় শনাক্ত ও প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করতে পারেনি পুলিশ। চলছে অধিকতর তদন্ত।’





