আহতরা হলেন— দাপুনিয়া ইউনিয়নের ইসলাম গাতীপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান দিলু (৫০), মেহেদী হাসান দিলুর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (২৫) সাব্বির হোসেন (২৩), ইয়াকুব আলী খানের ছেলে জাকির হোসেন (২৫), মেহেদী হাসান দিলুর স্ত্রী আকলিমা খাতুন (৪৩), আবুল হোসেন খানের ছেলে ইয়াকু্ব আলী খান (৫৫), ইয়াকুব আলীর স্ত্রী মোছা. জহুরা খাতুন (৪৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গাতী ইসলামপুর গ্রামের আরিফ শেখসহ সংঘবদ্ধ একটি চক্র গত রমজানের ঈদের দিন (২১ মার্চ) দুপুরে একটি মেয়েকে অপহরণ করে। এরপর অপহরণের বিষয়টি মেহেদী হাসান দিলু সাক্ষী দেয়।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনা নিয়ে মেহেদী হাসান দিলুর সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার বিকেলে মেহেদী হাসান দিলুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে গালাগালি ও ভাঙচুর করে।
বিষয়টি নিষেধ করলে আরিফ শেখ ও জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো অস্ত্র চাপাতি, লাঠিসোটা, জিআই পাইপ দিয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এসময় গুরুতর আহত সবাইকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মেহেদী হাসান দিলু অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমাদের সাত থেকে আটজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। এসব সন্ত্রাসীরা এখনো আমাদের হুমকি দিচ্ছে। দ্রুত এসব সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’





