এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই যুবলীগ নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে দুই শতাধিক গ্রামবাসী।
এ ঘটনার আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রাম থেকে ওই যুবলীগ নেতাকে আটক করে পুলিশ। রিপন উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ড (পাটুলিপাড়া) যুবলীগের সভাপতি ও ওই গ্রামের হাবিবুর সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাশকতার ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রিপনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ছাড়িয়ে নিতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে দুই শতাধিক গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
আরও পড়ুন:
পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এরপর ওসির কক্ষে পুলিশ ও ছাত্রদল নেতা সোহেলসহ গ্রামের শীর্ষ কয়েকজন ব্যক্তি আলোচনায় বসেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এসময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘আমাদের গ্রামের স্বার্থে একটা খাস জায়গার ওপর বাজার বসানো হয়েছে। কিন্তু এটা নিয়ে ভিলেজ পলিটিক্স হচ্ছে। একজন ব্যক্তির স্বার্থে তাকে (যুবলীগ নেতা রিপন) থানায় আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে তাই আমরা থানায় এসেছি।’
এ বিষয় ভাঙ্গুড়া থানার ওসি শাকিউল আজম বলেন, ‘আটক রিপন ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। নাশকতার বিষয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু তার সম্পৃক্তা না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে গ্রামবাসীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’




