এই ঘটনায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান,
গেলো ২২ জুলাই উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১ এলাকার মো. জুনায়েদ ও পারমিন আরা দম্পতির পাঁচ বছরের শিশু সন্তান রহমত আলীকে অপহরণ করা হয়।
অপহরণের পর শিশুটিকে হত্যার ভয় দেখিয়ে একটি ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে এবং ভিকটিমের পরিবারের কাছে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।
আরও পড়ুন:
পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে না জানিয়ে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে বুধবার ভোরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী জাকারিয়াকে আটক করে।
এদিকে প্রেস ব্রিফিং এ উপস্থিত থাকা শিশুটির বাবা মো. জুনায়েদ বলেন, ‘অপহরণকারীরা ফোন করে ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে পরে কুতুপালং বাজারে গিয়ে কয়েকটি নগদ নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে তার শিশু রহমত আলীকে উদ্ধার করে।’
অন্যদিক অপহরণ চক্রের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযানের পাশাপাশি উদ্ধারকৃত শিশুটিকে তার পরিবারে হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আটক আসামি রোহিঙ্গা জাকারিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।





