আবহাওয়া কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান মাত্র দুই থেকে তিন ডিগ্রি থাকায় শীতের অনুভূতি তীব্র হয়েছে। তবে গতকাল দিনাজপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে যাওয়ায় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি আসে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সূর্য উঠলেও তা ঠিকমতো তাপ ছড়াচ্ছে না। প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাজ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে, যা আয়-রোজগারে প্রভাব ফেলছে।
এদিকে, আজকের সকালে দিনাজপুরে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।





