প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৯২ ডলার ৩০ সেন্টে নেমে এসেছে, আর যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ কমে ৯৩ ডলার ৮০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে, সংঘাত শুরু হওয়ার আগের তুলনায় দাম এখনও বেশি। ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে তেলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল প্রায় ৭০ ডলার।
মধ্যপ্রাচ্যে তেল ও গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বেড়ে গিয়েছিল জ্বালানির খরচ। এর আগে ইরান হুমকি দিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার জবাবে তারা হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করা জাহাজগুলোর ওপর হামলা চালাতে পারে।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরানের ওপর বোমা হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করতে সম্মত হয়েছি। শর্ত হলো ইরান যেন অবিলম্বে এবং নিরাপদভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়।’ এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে 'আজ রাতে একটি সম্পূর্ণ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।’
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘ইরানের ওপর হামলা বন্ধ হলে তেহরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচল সম্ভব হবে।’
তবে, স্থায়ী শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





