গতকাল (শুক্রবার, ৩ এপ্রিল) রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি ইরানের আকাশে বড় পরিসরের এক আকাশযুদ্ধের তথ্য দেয়। এতে বলা হয়, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক শত্রু লক্ষ্যবস্তু আটকায়। একই সঙ্গে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি আগ্রাসনের মধ্যেও ইরানের আকাশসীমার ওপর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রণের প্রমাণ দিয়েছে।
‘একটি নির্ণায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাকারীরা একটি যুদ্ধবিমান ও আরও পাঁচটি আকাশযান ভূপাতিত করেছে, যা ইরানের আকাশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমানবাহিনীর জন্য অন্ধকার দিন হিসেবে চিহ্নিত,’ বিবৃতিতে বলা হয়।
বিবৃতি অনুযায়ী, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স খোমেইন ও জানজানের আকাশে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ইসফাহানের আকাশে দুটি এমকিউ-৯ আক্রমণকারী ড্রোন এবং বুশেহরের আকাশে একটি হার্মেস ড্রোন সফলভাবে আটক ও ধ্বংস করেছে। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অধীনে পরিচালিত উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে এসব আটকানো হয় বলে জানানো হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, তাদের অ্যারোস্পেস প্রতিরক্ষা ইউনিট মধ্য ইরানে একটি উন্নত শত্রু যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর অব্যাহত উদ্ভাবনী, ধারাবাহিক ও নির্ভুল নজরদারির ফলে দেশটির আকাশ শত্রু বিমানের জন্য আরও অনিরাপদ হয়ে উঠবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের এক অপ্ররোচিত সামরিক অভিযান শুরু করে।
হামলাগুলোতে ইরানজুড়ে সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে উল্লেখযোগ্য হতাহত ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা অভিযান চালিয়ে দখলকৃত অঞ্চল ও আঞ্চলিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি অবস্থানকে লক্ষ্যবস্তু করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ঢেউ পাঠিয়েছে।





