ডে হুন বলেন, ‘সেতু আর বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বেসামরিক স্থাপনা হামলা যদি সামরিকভাবে কাজে লাগে, তাহলে ব্যতিক্রম হতে পারে, তবে সে ক্ষেত্রে শর্তটি খুব বেশি কঠিন হয়ে যাবে।’
রাশিয়ার নেতাদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার অভিযোগে যুদ্ধাপরাধের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বলেছিল, সম্ভাব্য বেসামরিক ক্ষতি প্রত্যাশিত সামরিক সুবিধার চেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে।
আরও পড়ুন:
ডে হুন আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যে ভাষা ব্যবহার করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে দেশটিকে পাথরের যুগে ফিরিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের হুমকি বেসামরিক জনগণের ওপরও হামলার ইঙ্গিত দেয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবেও গণ্য হতে পারে।’





